পরেশ দেবনাথ (নিজস্ব প্রতিনিধি) যশোরের কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, বাউশলা গ্রামের বাসিন্দা এবং বাউশলা হাজী আব্দুল ওয়াহাব মাদরাসা, এতিমখানা ও মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্জ্ব আব্দুল ওয়াহাব মোড়ল (৭৮) ইন্তেকাল করেছেন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি বিশিষ্ট সাংবাদিক মোঃ নাছির উদ্দীন এবং মোঃ হাফিজুর রহমানের শ্বশুর।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি-২৬) পবিত্র শবে বরাতের রাতে আনুমানিক রাত ১টা ২০ মিনিটে তিনি বাউশলা গ্রামের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি চার ছেলে, দুই মেয়ে, নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বুধবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে মরহুমের জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওঃ আব্দুল হালিম পীর সাহেব হুজুর হিজরডাঙ্গা।মরহুমের জানাজায় যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে জামায়াত ইসলামী মনোনীত দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মোক্তার আলী-সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। হাজী আব্দুল ওয়াহাব- কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক বাহারুল আলম, মঙ্গলকোট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা মনিরুল আলম, হিজলডাঙ্গা শহীদ ফ্লাইট লেঃ মাসুদ মেমোরিয়াল কলেজের ল্যাব সহকারী শরিফুল ইসলাম ও চাকুরী প্রত্যাশী সাইফুল ইসলামের শ্রদ্ধেয় পিতা।আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহাব মোড়ল একজন আদর্শ শিক্ষক, সজ্জন ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবী হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত ছিলেন। সততার সাথে শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকান্ডে নিজেকে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার ইন্তেকালে কেশবপুরে শিক্ষা ও সমাজসেবায় এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও সচেতন মহল।