শাহ আলম কৌশিক (ময়মনসিংহ)মময়মনসিংহ ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় দীর্ঘদিনের অবহেলা ও উন্নয়ন বঞ্চনার অবসান ঘটাতে এবার জোরালোভাবে সামনে এসেছে এক নতুন দাবিনবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।এই দাবিকে সামনে রেখে উপজেলার সচেতন নাগরিক, তরুণ সমাজ ও শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে তারেক রহমান-এর নিকট একটি খোলা চিঠি পাঠানো হয়েছে। খোলা চিঠিতে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার পর থেকে রাজনৈতিক দিক দিয়ে ঈশ্বরগঞ্জ বারবার উপেক্ষিত হয়েছে। বহিরাগত প্রতিনিধিদের নির্বাচিত হওয়ার কারণে স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা, মৌলিক চাহিদা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোয়নি।তবে ২০০১-২০০৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকারের আমলে স্থানীয় এমপি শাহ নূরুল কবির শাহিনের সময় যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছিল, তা আজও মানুষের কাছে ইতিবাচক পরিবর্তনের স্মারক হয়ে আছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার ঈশ্বরগঞ্জবাসী তাদের নিজ এলাকার সন্তান, উচ্চশিক্ষিত প্রকৌশলী ও আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত নেতা ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুকে বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদে পাঠিয়েছেন।চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, তিনি কেবল রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নন; বরং আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান, প্রশাসনিক দূরদর্শিতা ও দেশপ্রেমে অনন্য এক নেতৃত্বের প্রতীক। এলাকাবাসীর দাবি, তার পেশাগত দক্ষতা ও বাস্তবমুখী চিন্তাধারা বিবেচনায় তাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় অথবা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে দেশ উপকৃত হবে।তাদের বিশ্বাস, প্রযুক্তি ও উন্নয়নকেন্দ্রিক পরিকল্পনার মাধ্যমে তিনি ঈশ্বরগঞ্জসহ সারাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা বয়ে আনতে সক্ষম হবেন।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একজন সংগ্রামী ও নির্যাতন-সহ্য করা নেতা হিসেবে তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানের প্রতীক। একই সঙ্গে একজন প্রকৌশলী হিসেবে আধুনিক, দক্ষ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে তার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে সেটি হবে ঈশ্বরগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন এবং তরুণ নেতৃত্বের যথার্থ মূল্যায়ন। বর্তমানে ঈশ্বরগঞ্জের বিভিন্ন মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ দাবিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক সাড়া। সাধারণ মানুষের আশা—এই খোলা চিঠির মাধ্যমে তাদের কণ্ঠস্বর নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্ব পাবে এবং ঈশ্বরগঞ্জে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।