সুমন মাহমুদ শেখ (স্টাফ রিপোর্টার)পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতে'না হতে'ই অস্থির হয়ে উঠেছে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের কাঁচাবাজার-সহ নিত্যপণ্যের বাজার দর। দোকানে নেই মূল্য তালিকা, আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে দাম। ঠিক তখনই আকাশ ছোঁয়া দামে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে রোজায় প্রয়োজনীয় পণ্য লেবু, শসা, খেজুর, ছোলা, সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম কয়েক গুণ বেড়ে এখন রীতিমতো বিলাসিতায় পরিণত হয়েছে।বৃহস্পতিবার মোহনগঞ্জের পাথরঘাটা কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, তিন আকারের ভিন্ন ধরনের লেবু বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে ছোট আকারের এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। মাঝারি আকারের লেবু বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায় ও বড় আকারের লেবু ১৩০ টাকা হালি এবং প্রতি কেজি লেবু ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অথচ গেল কয়েকদিন আগেও লেবুর দাম ছিল বেশ সহনীয়।লেবুর এই লাগামহীন দামের কারণে ক্রেতারা এক হালি লেবু না কিনে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনেক মানুষ দুয়েকটি লেবু কিনতে দেখা গেছে। এক্ষেত্রে দোকান মালিকরা নিচ্ছেন বাড়তি সুবিধা বড় আকারের একটি লেবু কিনতে হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়।মোহনগঞ্জের পাথরঘাটা কাঁচা বাজার থেকে লেবু কেনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে একজন ক্রেতা বলেন, “রোজা শুরু হতেই ১ কেজির লেবুর দাম ২০০ টাকা, ১ কেজি করলার দাম ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। কয়েকদিন আগে নিন্মমানের যে খেজুর ১২০ টাকা কেজি কিনেছি সেই খেজুর এখন বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। যেভাবে আকাশছোঁয়া দামে উঠেছে তাতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষ যারা আছি তাদের পক্ষে লেবু, করলা, খেজুর খাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য ব্যপার।এদিকে খুচরা দোকান মালিকরা বলছেন, পাইকারি বাজারে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিপরীতে রোজা উপলক্ষ্যে বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়েছে। যার ফলে চাহিদার তুলনায় বাজারে পণ্যর পরিমাণ কম থাকায় দাম দ্রুত বাড়ছে। এ ব্যাপারে ভোক্তা অধিকার নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে বাজারূর সহনীয় রাখার দাবি জানায় এলাকাবাসী।