
পরেশ দেবনাথ, (নিজস্ব প্রতিনিধি)“সংঘাত নয়, সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি” স্লোগানকে সামনে রেখে কেশবপুর পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)-এর উদ্যোগে মাইকেল রোডের গরুহাটা সংলগ্ন মায়া পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে পিএফজির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এফসিডিও’র অর্থায়নে এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের এমআইপিএস প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ সভায় রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রীতি জোরদারে বিভিন্ন প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি-২৬) বিকেলে পিস অ্যাম্বাসেডর ও কেশবপুর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলাউদ্দীন আলা-এর সভাপতিত্বে এবং পিএফজির সমন্বয়কারী মুনছুর আজাদ-এর সঞ্চালনা উপস্থিত ছিলেন, পিস অ্যাম্বাসেডর ও সিনিয়র সাংবাদিক মোতাহার হোসাইন, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামি কেশবপুর পৌর আমীর প্রভাষক জাকির হোসেন, সিএসও কোয়ালিশনের সভাপতি ও পিস অ্যাম্বাসেডর সুফিয়া পারভীন শিখা, পাঁজিয়া ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান ও মনোহরনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মকবুল হোসেন মুকুল (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল), ‘ওয়ার্ড’ কেশবপুরের নির্বাহী পরিচালক ও খেলাঘর কেশবপুরের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আকমল আলী, গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুপ্রভাত কুমার বসু, সাংবাদিক আব্দুল করিম, সাংবাদিক পরেশ দেবনাথ, আজিজুর রহমান (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল), এম.এ. মান্নান (জাতীয় পার্টি), উপজেলা ব্রাহ্মণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক, বালিয়াডাঙ্গা দেবালয় ট্রাস্টের সর্বমঙ্গলা কালীমন্দিরের স্থায়ী পুরোহিত, ভালুকঘর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব গোস্বামী, নীগার সুলতানা, বাংলাদেশ দলিত পরিষদের সদস্য উজ্জ্বল কুমার, দলিত প্রতিনিধি সুজন দাস, ইউপি সদস্য শাহানাজ পারভীন, মাওলানা হাফিজুর রহমানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জাতিগত সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মোঃ আশরাফুজ্জামান।সভায় বক্তারা নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সহিংসতার বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন করেন। তারা বলেন, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সার্বিকভাবে সহিংসতামুক্ত পরিবেশ বজায় ছিল। তবে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় আরও সচেতন ও সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় পরবর্তী ত্রৈমাসিক কর্মপরিকল্পনাও চূড়ান্ত করা হয়।সভাটি কেশবপুরে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে।