
আব্দুর রশিদ (সাতক্ষীরা) আশাশুনি টু বড়দল সড়কের মানিক খালি ব্রিজের সামনে রাস্তায় আবারো বড় ধরনের গর্ত হয়ে খানা-খন্দে পরিণত হয়েছে। যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।আশাশুনি হতে বড়দল সড়কটি বর্তমানে খুবই ব্যস্ততম মেইন সড়ক। দক্ষিণ খুলনার ঐতিহ্যবাহী বড়দল হাটে যাতোয়াতের একমাত্রই সড়ক। সড়কে একটি টোল প্লাজা রয়েছে যা দিয়ে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা আয়ের উৎসব। এই সড়ক দিয়ে সাতক্ষীরা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর, দেবহাটা, তালা, পাটকেল ঘাটা ও খুলনা জেলার পাইকগাছা, কয়রাসহ আশাশুনির দক্ষিণ অঞ্চল প্রতাপনগর সড়কে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচল করে। সড়ক দিয়ে যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাক, পিকআপ, ইজিবাইক, ইঞ্জিনভ্যান, মোটর সাইকেল, বাই সাইকেল, ট্রলিসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এ সড়কে চলাচল করে।সড়কটিতে গত কয়েকদিন আগে হালকা বৃষ্টির কারণে পার্শ্ববর্তী একই স্থানে ব্রিজের ঢালু পানি যেয়ে রাস্তার স্লোপের মাটি ধুয়ে পিচ ও ইটের খোয়া উঠে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। সে গর্তটি ঠিক করার পরে আবারো পার্শ্ববর্তী একই স্থানে বড় ধরনের গর্তে পরিণত হয়েছে। এছাড়া মানিক খালি ব্রিজ টু বড়দল ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের ৩ জায়গায় পিচের সড়কের উপরে ইটের সলিং বসানো রয়েছে। সড়কটির পিচ উঠে গিয়ে ছোট বড় গর্ত হয়ে গেছে। এর ফলে যানবাহনের যাত্রীদের শরীর ব্যথা হয়ে যায়। ঝাকুনিতে যানবাহনে বসে থাকা দুস্কর হয়ে পড়ে। এম্বুলেন্সে রোগিদের পক্ষে এপথে যাতয়াত রীতিমত ঝুঁকিপূর্ন। এছাড়া গোয়ালডাঙ্গা রাজু পুলিশের বাড়ির সামনে ও ফকরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুটি পানি নিষ্কাশনের কালভার্ট হুকমিপূর্ণ। যে কোন মুহূর্তে এই দুই কালভার্টের এখানেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে জনভোগান্তি দূর করতে পথযাত্রী ও এলাকাবাসী সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশারসহ বিভাগীয় কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ ১ এর নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজ হোসেন বলেন, একই স্থানে আগে একবার গর্ত হয়েছিল সেটা ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। আবার গর্ত হয়েছে আগামীকাল লোক পাঠিয়ে ঠিক করে দেওয়া হবে।