চয়ন চৌধুরী(মোহনগঞ্জ)নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে একটি অবৈধ কারেন্ট জালের গোদামে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জাল জব্দ করেছে।এ সময় পলাশ মিয়া (৩৫) নামে অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবসায়ীকে আটক করে তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডসহ নগদ ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।দন্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী পলাশ মিয়া জালপট্টি এলাকার মৃত ফজলুল হকের ছেলে।রোববার বিকেল ৩টার দিকে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের জালপট্টি এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সহকারী কমিশন (ভুমি) এমএ কাদের।ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে হাওর এলাকার মৌসুমি জেলেদের কাছে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে পৌর শহরের জালপট্টি এলাকায় একটি চক্র লক্ষ-লক্ষ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জালের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদেরকে বারবার নিষেধ করার পাশাপাশি এর আগেও দুই দফায় এই এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে আগুনে পুড়ে ধ্বংস করা হয়। তবুও তারা এসব অবৈধ জালের ব্যবসা বন্ধ না করে তা গোপনে হাওর এলাকার মৌসুমী জেলেদের কাছে বিক্রি করে আসছেন।এ অবস্থায় রোববার বিকেলে শহরের জালপট্টি এলাকার ব্যবসায়ী পলাশ মিয়ার একটি গোদামে কয়েক লক্ষ টাকার অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জালের একটি চালান এসেছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে গিয়ে হানা দিয়ে ৫৫ পিস চায়না দুয়ারি জাল ও ১০১ পিস কারেন্ট জাল জব্দ করেন। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা। এসময় ওই অবৈধ জাল গোদামের মালিক পলাশ মিয়াকে আটক করে তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডসহ নগদ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি জব্দকৃত ওইসব অবৈধ জাল ওই দিন সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিয়ে আগুনে পুড়ে ধ্বংস করা হয়।