
পরেশ দেবনাথ(নিজস্ব প্রতিনিধি)কেশবপুরে মানবিক ডাক্তার খ্যাত কামরুজ্জামান’র অকাল প্রয়াণে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেশবপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে কেশবপুর নাগরিক সমাজ ওই শোকসভার আয়োজন করে।মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল-২৬) সন্ধ্যায় কেশবপুর নাগরিক সমাজের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিকী-এর সভাপতিত্বে এবং দৈনিক প্রথমআলো পত্রিকার সাংবাদিক দিলীপ মোদক-এর সঞ্চালনায় শোকসভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, নাগরিক সমাজের সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার মন্ডল।প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিচালক ডা. শেখ আবু শাহীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ রেহেনেওয়াজ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এইচএম আমির হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলাউদ্দিন আলা ও কেশবপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ।আরও বক্তব্য রাখেন, মরহুমের ছোটভাই জাহাঙ্গীর আলম, অ্যাডভোকেট মিলন মিত্র, সাগরদাঁড়ি মধুসূদন অ্যাকাডেমির পরিচালক, গবেষক ও কবি খসরু পারভেজ, কবি ও আবৃত্তি শিল্পী মাসুদুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক মোতাহার হোসাইন ও জয়দেব চক্রবর্তী, প্যাথলজিস্ট আব্দুল হামিদ, শিক্ষক ও সঙ্গীতশিল্পী উজ্জ্বল ব্যানার্জী, কৃষক নেতা মফিজুর রহমান নান্নু, কবি ও সমাজকর্মী মাসুদা বেগম বিউটি, পলাশ সিংহ, নিমাই চাঁদ নন্দন প্রমুখ।শোকসভায় মরহুমের বড় মেয়ে আলিফা জামান এশা তার বাবার সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন। এছাড়া প্রখ্যাত শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা প্রেরিত শোকবার্তা পাঠ করেন অনুপম মোদক। শোক সভায় মরহুমের মমতাময়ী মা, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।প্রসঙ্গত কেশবপুরের কৃতিসন্তান মানবিক ডাক্তার খ্যাত কামরুজ্জামান (৫২) নিউমোনিয়া জনিত অসুস্থতায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার (২২ এপ্রিল-২৬) সকালে ইন্তেকাল করেন।উল্লেখ্য, প্রয়াত ডাক্তার কামরুজ্জামান কেশবপুর উপজেলার সুফলাকাটি ইউনিয়নের হাড়িয়াঘোপ গ্রামের মৃত লোকমান মোল্লার বড় ছেলে। তিনি তাঁর পরিবারসহ ঢাকার নিজস্ব বাড়িতে বসবাস করতেন। আর তিনি ছিলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থপেটিকস বিভাগের সিনিয়র চিকিৎসক। তিনি নারায়ণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৯ সালে এস. এস. সি খুলনা বি. এল কলেজ থেকে এইচ. সি. সি কৃতিত্বের সাথে পাস করে ঢাকা স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। তিনি এমবিবিএস পাশ করে বিসিএস উত্তীর্ণ হন। সাথে উচ্চতর ডিগ্রী নিয়েছেন একের পর এক। তাঁকে পোস্টিং দেয়া হয়েছিল কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।