1. news@dainikamarbangladesh.online : দৈনিক আমার বাংলাদেশ : দৈনিক আমার বাংলাদেশ
  2. info@www.dainikamarbangladesh.online : দৈনিক আমার বাংলাদেশ :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কেশবপুরে সংসদ সদস্য মোক্তার আলী’র মায়ের ইন্তেকাল কেশবপুর পাম্পে তেল সংকট, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন কেশবপুরে ১৩৯০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কেশবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হায়দার আলীর মৃত্যু তালায় টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের পক্ষ থেকে ইউএনও মিজ হোসনে আরাকে ফুলেল শুভেচ্ছা মোহনগঞ্জে তিন বছর বয়সী শিশুর গলাকাটা লাশ মিলল প্রতিবেশীর বিছানায় মালতিয়া গাজীর মোড়ে মাদকের ছড়াছড়ি: স্থানীয়দের উদ্বেগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কেশবপুর উপজেলার বুড়ুলি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী অমিত সাতক্ষীরায় গণসংহতি আন্দোলনের কমিটি গঠন প্রভাষক মামুন আহবায়ক; রুবেল গাইন সদস্য সচিব নির্বাচিত আশাশুনিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালি

ধর্মপাশায় মুক্তিযোদ্ধাকে নানা সাজিয়ে ভুয়া তথ্যে পুলিশে চাকরি

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

চয়ন চৌধুরী/সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় সম্রাট হোসেন তুহিন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে পাশের মোহনগঞ্জের মনজুরুল হক নামে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নানা সাজিয়ে ভুয়া তথ্যে পুলিশে চাকরি নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।সম্রাট হাসান তুহিন বর্তমানে রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত রয়েছেন এবং তাঁর বিপি নাম্বর ৯৪১৪১৭১২০৯।কনস্টেবল সম্রাট হোসেন তুহিন সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার শেখেরগাঁও গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।আর তার পরিচয়ধারী নানা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনজুরুল হক পাশ্ববর্তী নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার শেখুপুর গ্রামের বাসিন্দা।স্বামীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনে কনস্টেবল তুহিনের স্ত্রী হোসনা বেগম বাদি হয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুূদক) সমন্বিত ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।কনস্টেবল তুহিনের স্ত্রী হোসনা বেগম নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার হিলোচিয়া গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে হোসনা বেগমের সাথে সম্রাট হাসান তুহিনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছর পর ২০১৪ সালে তুহিন পুলিশের কনস্টেেবল পদে চাকরিতে যোগদান করেন। চাকরিতে যোগদানের সময় তিনি মোহনগঞ্জ উপজেলার শেখুপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনজুরুল হককে ( মুক্তিযোদ্ধা সনদ নং- ম ৬২১৮৬) নানা সাজিয়ে মিথ্যা তথ্যে সুনামগঞ্জ নোটারী পাবলিকে হলফনামা তৈরি করেন। এতে তুহিন নিজেকে মনজুরুল হকের মেয়ের পুত্র (দৌহিত্র) হিসেবে দাবি করেন। পরে সেই হলফনামা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধার কোটায় সুবিধা গ্রহণ করে পুলিশে চাকরি নেন তুহিন। তিনি দীর্ঘদিন নেত্রকোনা জেলার মদন থানায় কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধার কোটায় চাকরির সুবাদে তিনি বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে বেপরোয়া জীবন-যাপন করতেন। এমনকি ছুটি না নিয়েও তিনি মাসের পর মাস কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকতেন। জুলাই বিপ্লবের সময় মদনে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ কর্মসূচিতে হামলায় সরাসরি জড়িত থাকায় তুহিনকে রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী থানায় বদলী করেন। বর্তমানে তিনি রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী থানায় কর্মরত রয়েছেন।
হলফনামাসহ এ সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও তুহিনের ছবি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনজুরুল হককে দেখানো হলে তিনি বলেন, তুহিন নামে আমার কোন নাতী নেই। এমনকি হলফনামায় থাকা স্বাক্ষরটিও আমার নয়, কেউ হয়তো প্রতারণা করেছে। আমার দুই মেয়েকে মোহনগঞ্জে বিয়ে দিয়েছি। তবে সুনামগঞ্জে আমার কোনো মেয়েকে বিয়ে দেইনি। যে এই প্রতারণা করেছে তার শাস্তি দাবি করেন তিনি।নেত্রকোনা পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল সম্রাট হাসান তুহিন (বিপি ৯৪১৪১৭১২০৯) নেত্রকোনা জেলার মদন থানায় কর্মরত থাকাকালীন ২০২৩ সালের ৫ জুলাই হতে ১৫৬ দিন কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত ছিলেন।অভিযোগকারী হোসনা বেগম জানান, তুহিন প্রতারণা করে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মঞ্জুুরুল হকের মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে নিজেকে নাতি পরিচয় দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পুলিশে চাকরি গ্রহণ করেন। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা মনজুরুল হক তার নানা নয়।এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে পুলিশ কনস্টেবল সম্রাট হাসান তুহিন বলেন, স্ত্রীর সাথে পারিবারিক ঝগড়া হওয়ার কারণে এমন অভিযোগ করেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মনজুরুল হক আমার নানা এটাই সত্যি। তাঁর দেওয়া সনদেই আমি পুলিশে চাকরি নিয়েছি। এছাড়াও অফিসিয়ালি নিয়মিত আমাদের ভেরিফিকেশন হয়। মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারণা করে থাকলে এতদিনে আমার চাকরি থাকার কথা নয়। তবে মুক্তিযোদ্ধা মনজুরুল হক বলেছেন আপনি তাঁর নাতী নন এমন প্রশ্নের কোন জবাব দেননি তুহিন।তিনি আরও বলেন, চেক জালিয়াতি সংক্রান্ত একটা মামলায় আমার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট হয়েছিলো। একজন প্রতারণা করে সেই মামলাটা করেছিল। অভিযোগ থাকতেই পারে, প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত কেউ দোষী নয়।অভিযোগ বিষয়ে ময়মনসিংহ দুদক সমন্বিত কার্যালয়ের উপপরিচালক তাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগটি ঢাকা অফিসে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিধি অনুযায়ী আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট