1. news@dainikamarbangladesh.online : দৈনিক আমার বাংলাদেশ : দৈনিক আমার বাংলাদেশ
  2. info@www.dainikamarbangladesh.online : দৈনিক আমার বাংলাদেশ :
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মোহনগঞ্জে গাঁজাসহ দুই মাদককারবারি আটক যশোর-৬ আসনে মূল লড়াই হবে ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে সংখ্যালঘু সংখ্যগুরু বলে কিছু নেই, সকলেই বাংলাদেশী”/ দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মোক্তার আলী মোহনগঞ্জে বিভিন্ন অপরাধে ৫ জনের কারাদণ্ড সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শান্তি ও সম্প্রীতি জোরদারে সাংস্কৃতিক কর্মসূচি মোহনগঞ্জে পানি চলাচলের ড্রেন নিয়ে দ্বন্দ্ব, বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের পর ১৭ গরু লুট কেশবপুরে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত ২৪ কে ভুলতে চাই না, তেমনি ৭১ না হলে স্বাধীন বাংলাদেশ পেতামনা” সাতক্ষীরা পৌর ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির নির্বাচনী শোডাউন অনুষ্ঠিত কেশবপুরে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিশাল নির্বাচনী জনসভা

যশোর-৬ আসনে মূল লড়াই হবে ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

পরেশ দেবনাথ, (নিজস্ব প্রতিনিধি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতায় মাঠে থাকলেও মূল লড়াই হবে ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে। এ আসনটি পুনরুদ্ধারে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সুকৌশলে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মোক্তার আলী জয়ী হতে নানান কৌশলী ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ অনুষ্ঠিত চারটি সংসদ নির্বাচনে একবার বিএনপি, জামায়াত একবার ও একটানা দুই বার আওয়ামীলীগের প্রার্থী এ আসনের এমপি নির্বাচিত হন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী (১২ ফেব্রুয়ারি-২৬) অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। আর মাত্র ১ দিন বাকী। প্রার্থীরা নিজ নিজ নেতা-কর্মীদের নিয়ে উঠান বৈঠক ও কর্মীসভার মাধ্যমে সাধ্যমতো প্রচার প্রচারণা চালিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে এ আসনটি থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মোক্তার আলী (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির জিএম হাসান (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহিদুল ইসলাম (হাতপাখা) ও আমার বাংলাদেশ পার্টির মাহমুদ হাসান (ঈগল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সচেতন ভোটারদের দাবি ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের দিক থেকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী অনেক এগিয়ে রয়েছেন। তাদের ধারনা এ আসনটি পুনরুদ্ধারে জামায়তের থেকে বিএনপি অনেক এগিয়ে। সচেতন ভোটাররা বলছেন, নির্দলীয় তত্ববধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ ৩টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয় আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীরা। প্রাপ্ত ভোটের হিসাব অনুযায়ী জামায়াতের প্রার্থীর থেকে বিএনপির প্রার্থী ভোট পান বেশী। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১৯৭৩ সালে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য। ১৯৭৯ সালে শুধু কেশবপুরকে নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন যশোর-৬ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হন গাজী এরশাদ আলী। ১৯৮৬ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আব্দুল হালিম বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে চাকা মার্কা নিয়ে বিজয়ী হন। ১৯৮৮ সালে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের। এরপর ১৯৯১ সালে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দল বদল করে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন পুনরায় বিএনপি থেকে নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের জুনে সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের এএসএইচকে সাদেক। ২০০১ সালের নির্বাচনেও তিনি পুনরায় নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে ফের সীমানা পরিবর্তন হলে (কেশবপুর, অভয়নগর ও মনিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়ন) সংসদীয় আসন-৬ থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন অভয়নগরের অধ্যক্ষ শেখ আব্দুল ওহাব। সরেজমিন পৌরসভাসহ উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ঘুরে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা হলে তারা জানান, নির্দলীয় তত্ববধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ ৩টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হলেও প্রাপ্ত ভোটের হিসাব অনুযায়ী জামায়াতের প্রার্থীর থেকে বিএনপির প্রার্থী ভোট পান বেশী।নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। এ আসনটি পুনরুদ্ধারে ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা স্পষ্ট হচ্ছে। অনেকের ধারনা বর্তমান বছরের হিসাব আগের হিসাবের সাথে তুলনা করলে চলবে না। এ আসনে আওয়ামী লীগ-সমর্থক ও সংখ্যালঘু ভোটাররা যেদিকে ঝুঁকবেন, ফলাফল অনেকটাই সেদিকে যেতে পারে।এদিকে বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন-এর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক বলেন, দলীয় ভোটারের পাশাপাশি তাঁরা সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগ ভোটারদের সমর্থন নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। গণসংযোগকাল জামায়াতের প্রার্থী মোক্তার আলী বলেন, দীর্ঘদিন সততার সঙ্গে শিক্ষকতা করার কারণে সাধারণ মানুষের সমর্থন পাচ্ছেন এবং কেশবপুর থেকে তিনি জয়ী হবেন বলে তিনি আশাবাদী। ওই দুজন ছাড়াও আসনটিতে আরও তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহিদুল ইসলাম, এবি পার্টির মাহমুদ হাসান ও জাতীয় পার্টির জি এম হাসান। সকল প্রার্থী বলছেন, “নির্বাচিত হলে কেশবপুরের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধানসহ কেশবপুরের উন্নয়নের জন্য কাজ করবেন।”নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, যশোর-৬ (কেশবপুর) ১ টি পৌরসভা ও ১১ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ২৯’হাজার ১’শ ৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ১৩ হাজার ১৩৪ জন ও মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ১৩ হাজার ২”শ ৮৭ জন, তৃতীয় লিঙ্গ ২ জন ও পোস্টাল ভোটার ২”হাজার ৭”শ ৪০ জন। ৮১টি কেন্দ্রে এ ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট