
আব্দুর রশিদ (সাতক্ষীরা) আশাশুনির বুধহাটায় জমি জবর দখলে বাধা দেওয়ায় মারপিটে জখম, শ্বাসরোধে হত্যা চেষ্টা, ক্ষতিসাধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে প্রতিকার প্রার্থনা করে থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।দক্ষিণ চাপড়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলাম সরদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বাদী হয়ে একই গ্রামের মৃত সোহরাব আলী সরদারের ছেলে আমিরুল ইসলাম, শাহিনুর রহমান, মিজানুর রহমান, মিজানুর রহমানের ছেলে আবির হোসেন, আমিরুল ইসলামের ছেলে ইমন হোসেন ও স্বাধীন হোসেন এবং জনৈক আঃ রাজ্জাককে বিবাদী করে দাখিলকৃত অভিযোগ ও বাদী জানান, আমার স্বামীর নামে ১৬০৪ খং ২৬৮২ ও ২৬৯০ দাগে মাঠপর্চায় ১.০৯ একর জমি রেকর্ড হয়। প্রিন্ট পর্চায় আরএস ৪৬৭ খং ভুলবশত স্বামীর নামের পরিবর্তে সোহরাব আলঅর নামে ০.১৪৮ জমি রেকর্ড হয়। আমরা জানতে পারার পর আমার পুত্র খোকন সরদার ওরফে নুরনবী বিজ্ঞ আশাশুনি সহকারী জজ আদালত, সাতক্ষীরায় দেং ২৪২/২৫ নং মামলা করলে বিজ্ঞ আদালত ১৫/১০/২৫ তাং স্টাটাস্ক আদেশ এবং ২৬/১১/২৫ তাং ০৩ নং আদেশে স্টাটাস্কো আদেশ প্রতিপালন বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে ওসি আশাশুনিকে আদেশ দেন। অভিযোগের বিবাদী আমিরুল দিং গত ১৩ ফেব্রুয়ারী সকাল ৯ টার সময় বাদীদের বসত বাড়ির মধ্যে অনধিকার প্রবেশ করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও জমি জমা জবর দখলের চেষ্টা করে। বাদী, মেয়ে অনজিলা খাতুন ও বৌমা বিউটি খাতুন মৌখিকভাবে বাধা নিষেধ করতে গেলে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ী মারপিট করে জখম করে। শ্লীলতাহানী ঘটায়। বসত ঘরে ঢুকে নগদ ২০,০০০ টাকা, গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ( ৫৫,০০০ টাকা) নিয়ে নেয়। বাদীর পোতা শিশু নাবির হোসেন (৩) এর কপালে বাঁশের লাঠির আঘাতে জখম করে। আসবাব পত্র ও ঘর বাড়ি ভাংচুর করে অনুমান ৩০,০০০ টাকার ক্ষতি সাধন করে। বাদীর গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। স্বাক্ষীরাসহ পাশের লোকজন মারপিট ঠেকিয়ে দেয়। বিবাদীরা আবারো মারপিট ও প্রান নাশ করার হুমকি এবং মৎস্য ঘের জবর দখল করে নিবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহমদ খান জানান, অভিযোগ পেয়েছি, একজন দারোগাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত জেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।