
সুমন মাহমুদ শেখ/বছরের শুরুতেই চলতি মাসে দেশের তাপমাত্রা আরও নীচে নামতে পারে। কনকনে শীতল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী,এ মাসে দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। এর ফলে চলতি মাসে দেশজুড়ে একাধিক শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অফিস।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, জানুয়ারি মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার হতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা থাকবে ৮ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। অপরদিকে ১ থেকে ২টি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে মাঝারি থেকে তীব্র আকারের, যেখানে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি থেকে নেমে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে আসতে পারে।আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই থাকবে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদ-নদী অববাহিকা ও নিম্নাঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে, যা শীতের অনুভূতি আরও বাড়িয়ে দেবে।
ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গিয়ে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।এদিকে জানুয়ারি মাসে বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে। এ সময় দৈনিক গড় বাষ্পীভবন থাকবে ১ দশমিক ৫০ থেকে ৩ দশমিক ৫০ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল ৩ দশমিক ৫০ থেকে ৫ দশমিক ৫০ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব বিবেচনায় রেখে সাধারণ মানুষকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।