
আব্দুর রশিদ (সাতক্ষীরা) ১৭ ফেব্রুয়ারী ২৬ মঙ্গলবার সাতক্ষীরাতে সুন্দরবনকে সুরক্ষায় বিশ^ ভালোবাসা দিবসে ১৪ ফেব্রুয়ারী কে জাতীয়ভাবে পালন ও জাতীয় দিবস ঘোষনার দাবিতে সকাল ১০টায় র্যালী ও পাবলিক লাইব্রেরী হলে আলোচনাসভা অনষ্ঠিত হয়েছে। সুন্দরবন দিবস উদ্যাপন কমিটি সাতক্ষীরা,র উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা কমিটির আহবায়ক সাংবাদিক কল্যান ব্যানার্জী। সভা সঞ্চালনা করেন স্বদেশ সংস্থার নির্বাহি পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত। আলোচনা পত্র উপস্থাপন করেন সিডো সংস্থার পরিচালক শ্যামল বিশ^াস। আলোচনাসভায় অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের জিওলজি বিভাগের প্রভাষক মোঃ ওয়ালিউর রহমান, শিক্ষাবিদ্ আঃ হামিদ, তরুন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রুবেল গাইন,ক্রীসেন্ট সংস্থার পরিচালক আবুজাফর সিদ্দীকি, বজলুর রহমান, ভুমিহীন নেতা আঃ সামাদ, নদী বন ও পরিবেশ সুরক্ষা কমিটির সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমান, টিআইবি সাতক্ষীরা জেলা সমন্বয়ক আমিনুর রহমান, প্রতিবন্ধি কল্যান সমিতির আবুল কালাম, যুব প্রতিনিধি হৃদয় মন্ডল, তরিকুল ইসলাম অন্তর, স¤্রাট হোসেন, রাফাত হোসেন,ইমতি জামিল, রাহাত খান তহমিনা প্রমুখ।সুন্দরবন একাডেমী, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপ, বারসিক, স্বদেশ,সিডো,হেড,তরুন,যুব সংঘ,ক্রীসেন্ট, সৃজনী,টিআইবি, সুশিলন, লিডার্স, প্রথমআলো বন্ধুনভা আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রান ও প্রকৃতি রক্ষায় সুন্দরবনের গুরুত্ব অপরিসীম, দারিদ্র ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সংলগ্ন লোকালয়ের প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।অধিকহারে সামুিদ্রক র্ঘূণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস এবং জলবায়ু পরর্বিতনের প্রভাব সুন্দরবন অঞ্চলে বৃদ্ধি পাচ্ছে, এর ফলে সুন্দরবনের অস্তিত্ব হুমকির মুখে। সুন্দরবনের অন্যতম বৃক্ষ সুন্দরী গাছ ‘আগামরা’রোগে আক্রান্ত হয়ে বিলুপ্তির পথে।সুন্দরবনে বন্যপ্রাণীর অবৈধ শিকার নিয়ন্ত্রণহীন।সুন্দরবন প্রভাবিত লোকালয়ে লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও ভূ-র্গভস্থ পানির দুষ্পাপ্যতার জন্য ফসল উৎপাদন ব্যাহত।বাণিজ্যিক নৌপথ হসিেেব পশুর চ্যানলে বাদেও বনের অভ্যন্তরীণ অন্যান্য নদীসমূহে জাহাজ চলাচল বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইকো-ট্যুরজিম নিয়মনীতি উপেক্ষিত হচ্ছে। বিষ প্রয়োগে মৎস শিকার সুন্দরবনকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।সুন্দরবন অঞ্চলের লোকালয়ে শুকনো মৌসুমে সুপেয় পানির তীব্র সংকট।সুন্দরবন অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরস্থিতিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে। বক্তারা সরকারীভাবে দিবসটি পালনের জন্য আহবান জানান এবং ১৪ ফেব্রুয়ারী সুন্দরবন দিবসকে জাতীয় দিবস ঘোষনার দাবী তুলে ধরেন। আলোচনাসভায় সুন্দরবনকে নিয়ে গবেষনার জন্য বিশ^বিদ্যালয়ে একটি গবেষনা বিভাগ খোলার অনুরোধ করেন। জনসচেতনতার জন্য লোকালয়ে প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা, প্লাষ্টিক দুষন বন্ধ করা সহ সকল অনৈতিক কাজ বন্ধকরার আহবান করা হয় এছাড়া নুতন সরকারের কাছে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। সুন্দরবনকে ঘিরে কোনও সুন্দরবন বিধ্বংসি কোনও প্রকল্প না নিতে অনুরোধ জানানো হয়।