
আব্দুর রশিদ(সাতক্ষীরা)বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে দিন দুপুরে পিছন দিকের টিনের বেড়া কেটে প্রাচীরের ভিতরে প্রবেশ করে বাড়ির বারান্দার গেট কেটে তালা ভেঙে নগদ টাকা স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১ জুন ) প্রকাশ্য দিবালোকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের প্রবাজ পুর গ্রামে ইয়াদ আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ইয়াদ আলী ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। তিনি প্রবাজপুর গ্রামের বাসিন্দা। ভুক্তভোগী গৃহকর্ত্রী মর্জিনা খাতুন ও তার পুত্র ইমরুল ও ইকবাল হোসেন বলেন সোমবার সকাল আনুমানিক ৯ টার দিকে সপরিবারে শ্যামনগর উপজেলার শ্রীফলকাটি গ্রামে এক আত্মীয়র পারিবারিক অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে যাই। সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ টার দিকে সেখান থেকে বাড়িতে ফিরে পিছনের টিনের বেড়া ভাঙ্গা এবং বারান্দার প্রধান গেট, গ্রিল ও তালা ভাঙ্গা এবং জানালার গ্রিল কাটা। ঘরে ঢুকে দেখি সবকিছু এলোমেলো হয়ে পড়ে আছে। ঘরে থাকা আলমারির ড্রোয়ারে রক্ষিত নগদ ৫০ হাজার টাকা, ৯০ হাজার টাকা মূল্যের ২ জোড়া কানের দুল, ৬ আনা ওজনের ৬০ হাজার টাকার মূল্যের স্বর্ণের চেইন, ৩ আনা ওজনের ১টি আংটি এবং ,১ আনা ওজনের ১ টি নাকফুল সহ সর্বমোট ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে বাড়ির গৃহকর্ত্রী বাদী হয়ে এই রাতেই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ রাতেই থানার উপ-পরিদর্শক, পলাশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে নাম না প্রকাশ করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি এ প্রতিবেদককে জানান এলাকার কিশোর গ্যাং এবং মাদকাসক্ত একটি গ্রুপ প্রতিনিয়ত এলাকায় চুরি সহ অসামাজিক কার্যকলাপ করে আসছে। কিছুদিন আগে পার্শ্ববর্তী ছনকা গ্রামে এক বাড়িতে পরিবারের কেউ না থাকার সুযোগে তার বাড়িতে মোটরসাইকেল জোগে এসে দুর্ধর্ষ চুরি সংগঠিত করে জনগণের ধাওয়া খেয়ে মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় জনগণ ফেলে যাওয়া মোটরসাইকেল থানায় সোপর্দ করলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি । এইভাবে প্রতিনিয়ত উপজেলা জুড়ে বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বেড়ে চললেও প্রশাসনের কোন ভূমিকা নাই। এলাকায় ডাকাত সর্দার ও অস্ত্র বিক্রেতা সহযোগীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদেরকে আটক না করায় প্রতিনিয়ত ঘটছে এমন ঘটনা। এ বিষয়ে থানার উপ পরিদর্শক পলাশের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করে এসেছি এখনো কোন মামলা হয়নি।