
স্টাফ রিপোর্টার/ খুলনার খাঁনজাহান আলী সেতু (রূপসা ব্রিজ) হয়ে প্রতিরাতে চোরাই ভাবে অর্ধ কোটি টাকা মুল্যের ধরা নিষিদ্ধ পাইসা মাছের পোনা পাচার হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই অবৈধ রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। উজাড় হচ্ছে সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে প্রকাশ, বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার ফয়লা বাজারের মৎস্য ব্যবসায়ী জাহিদের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে সাগর বা সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী নালা থেকে বেবদি জাল দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির লক্ষ লক্ষ মাছের পোনা নষ্ট করে আহোরন ও বিপনন নিষিদ্ধ পাইসা মাছের পোনা সংগ্রহ করে রামপাল এবং মংলা সীমান্তবর্তী বেলাই ব্রিজ,তেতুলিয়া ব্রিজ, বগুড়া ব্রিজ এলাকা থেকে প্রতি রাতে ৮/১০টি মিনি ট্রাকে করে এই মাছের চারা পোনা কাটাখালি মোড় হয়ে রূপসা ব্রিজ দিয়ে পাচার হচ্ছে। অতঃপর এই মাছের চারা পোনা বিক্রি হচ্ছে পাইকগাছার গোড়ইখালি বাজার, সাতক্ষীরার চাঁদকাঠি, বিণের পোতা, আশাশুনি, দেবহাটা ও ভোমরা সীমান্ত এলাকায়।এই মাছের পোনা সংরক্ষণের জন্য রয়েছে মৎস্য সুরক্ষার পৃথক আইন।যা ১৯৫০ এর ধারা ৩/৫/৭ ভঙ্গ করলে অর্থ দণ্ডসহ কারাদণ্ড, পোনা বাজেয়াপ্ত, পরিবহন বা যান,জাল ও সরঞ্জাম জব্দ ও বাজেয়াপ্ত করন।নাম প্রকাশ না করা শর্তে, অবৈধ এই ব্যবসার কাজে নিয়োজিত একব্যক্তি বলেন,প্রতিরাতে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করার জন্য রয়েছেন উপজেলার জাবুসা ও আলাইপুর গ্রামের দুইজন। তারা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর ম্যানেজের নামে ট্রাকপ্রতি ১০ হাজার টাকা চাঁদা তোলেন।উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস বলেন,এসব বিষয়ে আমার জানা নাই।আর বিষয়ে আমাদের উপরের কোন নির্দেশনা নাই। ভোমরা বর্ডার থেকে ফিরে আসার সময় এই ট্রাকগুলো অবৈধ পণ্য বহন করে আনে বলে ও অভিযোগ রয়েছে।সচেতন মহল তথা বুদ্ধিজীবী মহলের প্রশ্ন অবৈধ এই ব্যবসাটি দীর্ঘদিন ধরে চললেও প্রশাসন কি কিছুই জানেন না! নাকি জেনেও না জানার ভান করছে।