1. news@dainikamarbangladesh.online : দৈনিক আমার বাংলাদেশ : দৈনিক আমার বাংলাদেশ
  2. info@www.dainikamarbangladesh.online : দৈনিক আমার বাংলাদেশ :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কেশবপুরে কপোতাক্ষ নদের ওপর কাঠের ব্রীজ সংস্কারে এমপি অধ্যাপক মোক্তার আলী’র অনুদান কেশবপুরের তুখোড় ছাত্রনেতা কৃতি ফুটবল খেলোয়াড় এ্যাডঃ কেসমত আলী আর নেই খুলনায় চালু হলো নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার আশাশুনিতে ২০ কর্মকর্তাকে বদলী ও অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা মন্ত্রীর নির্দেশনা অমান্য করেই- মধ্যনগরে ভারতীয় গরু বৈধতা দিচ্ছে ইজারাদার সিন্ডিকেট গঙ্গানন্দপুর ডিগ্রী কলেজে নারী ও শিশু পাচার বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত খুলনার ডুমুরিয়ায় পাষণ্ড স্বামীর নির্মমতা: পেট্রোল ঢেলে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যামায়ের অপেক্ষায় অপলক দৃষ্টিতে সন্তানরা ডুমুরিয়া বাজারে ঈদ উপলক্ষে ইউনিক পোশাকে বিশেষ ছাড় শ্রাবন্তী মার্কেটের “রিয়েল ড্রিম ফ্যাশন ”-এ ক্রেতাদের ভিড় মোহনগঞ্জে মাদক, জুয়া ও ইভটিজিংসহ সামাজিক অপরাধ দমনে ওসি’র মতবিনিময় মুক্তেশ্বরী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের মাসিক সাহিত্য সভা

জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে মেরামত হচ্ছে হামলায় ভাংচুর হওয়া ঘর-বাড়ি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫
  • ২৭৩ বার পড়া হয়েছে

শরিফা বেগম শিউলী/রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলায় শাতিম নামের এক কিশোরের ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এরই জেরে স্থানীয় একটি হিন্দুপাড়ায় হামলার ঘটনাও ঘটে। তবে ঘটনার পরপরই উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঘরবাড়ি মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাতিম নামের ওই কিশোরের পোস্টকে কেন্দ্র করে একটি চক্র হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালায়। তবে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে। জেলা প্রশাসনের সহায়তায় হিন্দুপাড়ার ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলোর মেরামত কাজ ইতোমধ্যেই শেষ পর্যায়ে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, “প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উস্কানি ছিল। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো। কেউ দেশ ছাড়েনি, এলাকাও ছাড়েনি। এ ধরণের গুজবে কান না দেয়ার অনুরোধ করছি।ঘটনার পর ভারতের কিছু অনলাইন মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হয় যে, এই ঘটনার জেরে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। রংপুর জেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা এই খবরকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অভিহিত করেছেন।একজন স্থানীয় শিক্ষক ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাসিন্দা বলেন, “আমরা কোথাও যাইনি। প্রশাসন আমাদের পাশে আছে, মানুষজন শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। ভারতের মিডিয়ায় যা ছড়ানো হয়েছে, তা গুজব ছাড়া আর কিছু নয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রংপুরের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। গঙ্গাচড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছে।
রংপুর জেলা প্রশাসক বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে আমাদের ঐতিহ্যকে ম্লান করা যাবে না। আমরা প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট