1. news@dainikamarbangladesh.online : দৈনিক আমার বাংলাদেশ : দৈনিক আমার বাংলাদেশ
  2. info@www.dainikamarbangladesh.online : দৈনিক আমার বাংলাদেশ :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কেশবপুরে কপোতাক্ষ নদের ওপর কাঠের ব্রীজ সংস্কারে এমপি অধ্যাপক মোক্তার আলী’র অনুদান কেশবপুরের তুখোড় ছাত্রনেতা কৃতি ফুটবল খেলোয়াড় এ্যাডঃ কেসমত আলী আর নেই খুলনায় চালু হলো নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার আশাশুনিতে ২০ কর্মকর্তাকে বদলী ও অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা মন্ত্রীর নির্দেশনা অমান্য করেই- মধ্যনগরে ভারতীয় গরু বৈধতা দিচ্ছে ইজারাদার সিন্ডিকেট গঙ্গানন্দপুর ডিগ্রী কলেজে নারী ও শিশু পাচার বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত খুলনার ডুমুরিয়ায় পাষণ্ড স্বামীর নির্মমতা: পেট্রোল ঢেলে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যামায়ের অপেক্ষায় অপলক দৃষ্টিতে সন্তানরা ডুমুরিয়া বাজারে ঈদ উপলক্ষে ইউনিক পোশাকে বিশেষ ছাড় শ্রাবন্তী মার্কেটের “রিয়েল ড্রিম ফ্যাশন ”-এ ক্রেতাদের ভিড় মোহনগঞ্জে মাদক, জুয়া ও ইভটিজিংসহ সামাজিক অপরাধ দমনে ওসি’র মতবিনিময় মুক্তেশ্বরী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের মাসিক সাহিত্য সভা

কেশবপুরে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৯০ বার পড়া হয়েছে

পরেশ দেবনাথ(নিজস্ব প্রতিনিধি)কেশবপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। কেশবপুর উন্নয়ন ফোরাম ও জলাবদ্ধতার স্থায়ী নিরসন চাই কমিটির উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।সোমবার (১১ আগস্ট-২৫) বিকেলে মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তৃতা করেন, দলিতের কেশবপুর এলাকার ম্যানেজার যোশেফ সরকার, শিক্ষক আব্দুস সালাম, সোহেল হাসান আইদ, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ, জাহাঙ্গীর কবির মিন্টু, কবির হোসেন রিপন, বাবু হাওলাদার, মিরাজ বিশ্বাস, মিল্টন, এসএম ইমরান, ফয়সালুর জামান সাগর, বাবুল হোসেন প্রমুখ।বক্তারা বলেন, গত প্রায় দুই মাস কেশবপুরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেকসহ দ্রুত নদী ও খাল খনন করার দাবি জানানো হয়।মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।স্মারকলিপিতে জানানো হয়, জলাবদ্ধতার কারণে বছরে কেশবপুরবাসীকে ৪-৬ মাস পানির সঙ্গে যুদ্ধ করে বসবাস করতে হয়। জলাবদ্ধতার থেকে পৌরবাসীকের রক্ষা করতে শহর রক্ষা বাঁধ হিসেবে হরিহর নদের দুই পাড় ৫ ফুট উঁচু বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। পলি নিষ্কাশনের জন্য পৌরসভার ড্রেনে কপাটের ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে হরিহর নদের পানি ঢুকতে না পারে।পৌরসভার আয় বাড়ানোর জন্য শহর রক্ষা বাঁধে সবুজ বনায়ন ও ফুলের গাছ রোপন হবে। হরিহর নদে শেওলা যাতে জমে থাকতে না পারে সে জন্য দর্শনার্থীদের ভ্রমণের জন্য নদে নৌকা দিতে হবে। হরিহর নদে দু’পাড়ে শহর রক্ষা বাঁধে পার্ক হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। মনোরম পরিবেশ হলে পৌরবাসীসহ উপজেলাবাসী সেখানে ঘুরতে আসবেন।প্রয়োজনে ওই পার্ক ইজারা দিয়ে পৌরসভা আয় বৃদ্ধি হতে পারে। কেশবপুর গম পট্টি থেকে শুরু করে বাক্স পট্টি, মধুসড়ক, মাছ বাজার, পান হাটা, নারকেল হাটা, ধান হাটা বছরে ২-৩ মাস জলাবদ্ধতা থাকায় সেখানকার ব্যবসায়ী ও বসবাসকারীদের পড়তে হয় বিপাকে। এই মুহূর্তে পানি সরাও, মানুষ বাঁচাও জলাবদ্ধ এলাকায় দ্রুত ভেকু বা অন্যান্য উপায়ে পানি অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে।জলাবদ্ধতা নিরসনে, স্থায়ী সমাধান এবং টি.আর.এম প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। বর্ষার পূর্বে মৎস্য ঘেরে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন বন্ধ করতে হবে এবং ভবদহ অঞ্চল ঘের আইন-২০১৯ বাস্তবায়ন করতে হবে। জলাবদ্ধ এলাকায় ভূমিকর, হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স ফি,পানির বিল, সমিতি ও ব্যাংকের কিস্তি স্থগিতের দাবি জানানো হয় স্মারকলিপিতে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট