
আব্দুর রশিদ (সাতক্ষীরা)তালা উপজেলা খলিশখালি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দুধলিরচর এলাকার মানুষের জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছাতে। অবদার পাড়ে থাকা এই মানুষ গুলো নাগরিক সেবা সহ্ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।স্থানীয়রা জানান, চোমরখালি থেকে জনৈকবাড়ী পর্যন্ত রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। কাচা রাস্তা হওয়ায় পানি উঠে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। বিশুদ্ধ পানি না থাকায় অনেকে বৃষ্টির পানি ও নদীর পানি পান করতে হয়।স্থানীয় বাসিন্দা মৃতঃশামসের সরদারের স্ত্রী জহুরা বেগম দুঃখ ভারাকান্ত মনে কাদদে কাদদে বলেন চার বৎসর আমার ঘর আগুনে পুড়ে গেছে ও তার ডন হাত পুড়ে গেছে আমার স্বামী নাই।দুনিয়ায় দেখার মত নিজের কেহ নাই।চেয়ারম্যান ও মেম্বরের কাছে বলেও আমার সরকারী ভাবে কোন অনুদান দেইনি।বতর্মান আমার মাথা হুজার মত কোন জায়গা নাই।আমি আজ এক বাড়ী কাল অন্য বাড়ি এইভাবে থাকী। সরকারে প্রতি আবেদন সরকারী ভাবে একটা ঘরের ব্যাবোস্থা করলে থাকতে পারী।আজ সরেজমিনে দেখা যায়, ইনারা যদি চর এলাকাটিতেই শত পরিবারের বসবাস। মানুষ এখানে অসহায়ের মত জীবন যাপন করে চলেছে। নেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নেই বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এমনকি চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে তারা। রাস্তাঘাট মাটির হওয়াই অনেক বিড়ম্বনায় পড়তে হয় তাদের। দ্রুত রাস্তা সংস্কার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা সহ চিকিৎসা সেবা বৃদ্ধির জন্য দাবি জানাই এলাকাবামী।স্থানীয় কালাম শেখের পুত্র নূর হোসেন শেখ বলেন, বাড়িঘর কাঁচা, গোলপাতা ও পলিথিনের ছাউনি দিয়েই বসবাস করি। আমরা সরকারিভাবে কোন সহায়তা পায় না, পরিবার পরিজন নিয়ে এভাবে বসবাস করতে আমাদের কষ্ট হয়। আমিসহ এখানে অনেক পরিবারেরই একই অবস্থা। আমরা সরকারের আসুহস্তক্ষেপ কামনা করি।স্থানীয় ইউপি সদস্য দিলিপ সরকার বলেন, আমাদের গ্রামটি নোনা অঞ্চল, এখানে টিউবয়েলের পানীয় নোনা উঠে। জীবন সংগ্রাম করে চলতে হয় আমার এলাকার মানুষদের। আমার অঞ্চলের মানুষ গরিব। সরকারি, বেসরকারি সহায়তা পেলে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য ফিরবে।স্থানীয় ও বাসিন্দারা জানান।আমাদের দুরভোগ দুরদশা লাঘবের জন্য সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ও মানোনীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের দৃষ্টী কৃপা কামনা করচ্ছি।