1. news@dainikamarbangladesh.online : দৈনিক আমার বাংলাদেশ : দৈনিক আমার বাংলাদেশ
  2. info@www.dainikamarbangladesh.online : দৈনিক আমার বাংলাদেশ :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৭:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভুমি অধিগ্রহণের টাকা না পাওয়ায় পাইকগাছা – কয়রা সড়ক সরলীকরণের ১০ টি পয়েন্টে কাজ বন্ধ কেশবপুরে কপোতাক্ষ নদের ওপর কাঠের ব্রীজ সংস্কারে এমপি অধ্যাপক মোক্তার আলী’র অনুদান কেশবপুরের তুখোড় ছাত্রনেতা কৃতি ফুটবল খেলোয়াড় এ্যাডঃ কেসমত আলী আর নেই খুলনায় চালু হলো নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার আশাশুনিতে ২০ কর্মকর্তাকে বদলী ও অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা মন্ত্রীর নির্দেশনা অমান্য করেই- মধ্যনগরে ভারতীয় গরু বৈধতা দিচ্ছে ইজারাদার সিন্ডিকেট গঙ্গানন্দপুর ডিগ্রী কলেজে নারী ও শিশু পাচার বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত খুলনার ডুমুরিয়ায় পাষণ্ড স্বামীর নির্মমতা: পেট্রোল ঢেলে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যামায়ের অপেক্ষায় অপলক দৃষ্টিতে সন্তানরা ডুমুরিয়া বাজারে ঈদ উপলক্ষে ইউনিক পোশাকে বিশেষ ছাড় শ্রাবন্তী মার্কেটের “রিয়েল ড্রিম ফ্যাশন ”-এ ক্রেতাদের ভিড় মোহনগঞ্জে মাদক, জুয়া ও ইভটিজিংসহ সামাজিক অপরাধ দমনে ওসি’র মতবিনিময়

আমার সন্তান দেশের জন্য জীবন দিল, তবু স্বীকৃতি মেলেনি,শহীদ মাহিনের বাবা জামিল হোসেন

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে

গোলাম কিবরিয়া পলাশ/২০২৪ সালের ৪ঠা আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন রাজধানীর দিয়াবাড়ি মডেল হাইস্কুলের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মাহিন (১৬)। এক বছর পেরিয়ে গেলেও স্বীকৃতি মেলেনি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার বাবা জামিল হোসেন।তিনি বলেন, “আমার ঘরে এখন আর আলো নেই। সন্তান বিজয়টা দেখে যেতে পারলো না। দেশের জন্য জীবন দিলো, তবু এখনো আন্দোলনের শহীদদের স্বীকৃতি নেই। যে বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল, সেই বৈষম্যই এখনো রয়ে গেছে।জামিল হোসেন জানান, মাহিন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে প্রথমে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে যান। পরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মারা যায় মাহিন। বাম চোখ ও মাথার পেছনে দুটি গুলি লেগেছিল তার।তিনি বলেন, “মাহিন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চেয়েছিল। দিয়াবাড়ি মডেল হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করে ভর্তি হয়েছিল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে (এনআইইটি)। ও ছিল আমাদের একমাত্র সন্তান। সন্তান হারিয়ে আমরা এখনো স্বাভাবিক হতে পারিনি। কবরের কাছে প্রতিদিন যাই। বিদেশ যাওয়ার ইচ্ছা আর নেই, এখন বাড়ির সামনে একটা মুদি দোকান দিয়েছি।তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমাদের সন্তানরা জীবন দিয়েছিল ন্যায্য অধিকার আর কোটা সংস্কারের জন্য। কিন্তু সরকার আবার ২৪-এর কোটা বহাল রেখেছে। তাহলে কেন আমাদের সন্তানেরা জীবন দিলো? মৃত্যুর এক বছর পেরিয়ে গেলেও স্বীকৃতি পেল না।জামিল হোসেন আরও বলেন, “ময়মনসিংহ জেলা থেকে মোট ৩৯ জন শহীদ হয়েছেন। কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র একজনের নামেই ব্যাপকভাবে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে ময়মনসিংহ জেলার সমন্বয়কসহ বিভিন্ন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে। যার জন্য আমাদের ছেলেরা প্রাণ দিয়েছিল সেই বৈষম্যই এখনো রয়ে গেছে।তিনি জানান, মাহিনের মামলার বাদী তিনি নিজেই; গত বছরের ২৮শে আগস্ট উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেছেন। শেষে তিনি কষ্টের সুরে বলেন, “আমরা আমাদের সন্তানের জীবনের বিনিময়ে দেশের পরিবর্তন দেখতে চাই। তাদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট