
চয়ন চৌধুরী/সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার হাওর থেকে কৃষকের জমিতে সেচের পানি দেওয়ার শেলু মেশিন চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় জনিক মিয়া(৩০) নামে এক চোরকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। এসময় এলাকাবাসীসহ পুলিশ ওই চোরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চুরি করে আনা আরও একটি শেলু মেশিন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের মাটিকাটা- নতুনবাড়ির পাশের জালধরা নামক হাওরে এ শেলু মেশিন চুরির ঘটনা ঘটে।
আটককৃত চোর জনিক মিয়া মাটিকাটা গ্রামের আক্কল আলীর ছেলে। এ ঘটনায় ওই রাতেই উদ্ধারকৃত শেলু মেশিনের মালিক ও একই গ্রামের বাসিন্দা নেকারুল ইসলাম(৪৫) বাদি হয়ে আটককৃত চোর জনিক মিয়া ও তার সহযোগী উমন মিয়াকে আসামি করে ধর্মপাশা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মাটিকাটা-নয়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা কৃষক নেকারুল ইসলাম তার বাড়ির পাশের জালধরা নামক হাওরে থাকা বোরো জমিতে সেচের পানি দেওয়ার জন্য একটি শেলু মেশিন বসান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কৃষক নেকারুল ইসলাম ওই হাওর থেকে প্রতিদিনের ন্যায় বাড়িতে চলে আসেন। পরে রাত দশটার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে হাওরের দিকে তাকিয়ে তার জমিতে বসানো শেলু মেশিনের কাছে টর্চ লাইটের আলো জ্বলতে দেখতে পান এবং এতে তার মনে সন্দেহ দেখা দেয়। পরে তিনি বাড়ি থেকে আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে চুপিচুপি সেখানে গিয়ে জনিক মিয়া ও উমন মিয়া নামে দুই চোরকে শেলু মেশিনটি চুরি করে নিয়ে যেতে দেখেন। তখন তারা সেখানে হামলা চালিয়ে জনিক মিয়া নামে এক চোরকে আটক করতে সক্ষম হলেও উমন মিয়া নামে অপর চোর দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আটক জনিক মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি চালিয়ে চুরি করে আনা আরও একটি শেলু মেশিন উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যা বলেন, এ ঘটনায় চুরির অভিযোগে রাতেই থানায় মামলা দায়ের করার পর শুক্রবার সকালে ধৃত চোর জনিক মিয়াকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ
০১৭১৮-৭৫৫৭৭১
১২-১২-২০২৫ ইং।