
নিজস্ব প্রতিবেদক /খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা না দেওয়ায় বেতাগ্রাম- তালা-পাইকগাছা আঞ্চলিক মহাসড়কে বাঁক সরলীকরণের কাজ বন্ধ রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভমির মালিকরা ১০ টি পয়েন্টে এ কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্তৃপক্ষ। খুলনার বেতাগ্রাম হতে কয়রা আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ণ ও বাঁক সরলীকরণ কাজ ২০২০ সালে শুরু হয়। যা ২০২২ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিলো। এছাড়াও মোট ৩৪টি বাঁকসরলী করণে জমি অধিগ্রহণ ও রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য ৩’শ ৮৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। সব কিছু ঠিকঠাক হলেও ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা আজও পর্যন্ত অধিগ্রহণকৃত জমির টাকা পায়নি। এমনকি তারা বলছে বারবার ডিসি অফিস সড়ক জনপদ বিভাগে টাকার জন্য ধর্ণাও দিচ্ছেন। অনেকেই বলছেন ঘুষের টাকাও দিয়েছি কিন্তু আমরা টাকা পাচ্ছিনা। শেষমেষ ৩৪ টি বাঁকের মধ্যে ১০ টি জায়গায় ক্ষতিগ্রস্তরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। যাতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সর্বসাধারণ।রীতিমত পাইকগাছা উপজেলার কার্তিকের মোড় নামক স্থানে চলমান কাজের দু’পাশে বাঁশের বেড়ার সাথে লাল কাপড় টাঙ্গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তাদের কথা টাকা দেও কাজ করো।এমনিভাবে বন্ধ রয়েছে পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনিতে ১ টি, গোলাবাটিতে ১ টি, গোপালপুরে ১ টি, গজালিয়াতে ৩ টি, মৌখালীতে ১ টি এবং কয়রা উপজেলার কয়রা মদিনাবাদে ১ টি মোট ১০ টি স্থানে জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে টাকা না দেয়া ও একোয়ারের টাকা না পাওয়ায় কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, তারা দ্রুত টাকা পেতে ঘুষের টাকাও দিয়েছেন কিন্তু তাও কাজ হচ্ছেনা।ভুক্তভোগী সালাম সরদার ও লেয়াকত মোড়ল বলেন, টাকার জন্য প্রায় ডিসি অফিসে ধর্ণা দিয়েছি। কিন্তু তাতে কোন কাজ হয়নি। তাই কাজ বন্ধ করেছি।আমাদের কথা হলো,”টাকা দাও কাজ করো।সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানিমুুল হক বলেন, প্রায় ১ হাজার জনকে চেক দেবার কথা। দেয়া হয়েছে মাত্র ৪৬ জনকে। ডিসি অফিস থেকে টাকা না দিলে আমাদের কি করার আছে? প্রয়োজনে একাজ আর করা সম্ভব হবেনা।